|
| |
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
৩৭৯ পঠিত
মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে এই ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন।

দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা পর্যালোচনা করবে মানবাধিকার ও শান্তিবিষয়ক সংসদীয় ককাস। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করবেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেসব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা-ও পর্যবেক্ষণ করবে এই ককাস।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে এই ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সিদ্ধান্তে ২ নভেম্বর এই সংসদীয় ককাস গঠন করা হয়।

ককাসের শাব্দিক অর্থ হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে একমত হওয়া একটি দল। সংসদীয় ককাস হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা নীতিকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম। এটি সংসদের কোনো স্থায়ী কমিটি বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ককাসের পৃষ্ঠপোষক জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বৈঠকে অংশ নেন। ককাসের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা পর্বে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বিগত সময়ে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যারা ভিকটিম (ভুক্তভোগী), তাদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ ও সচেতনতার সঙ্গে কাজ করার উদ্দেশ্যে এই ককাস গঠন করা হয়েছে।’ এ সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী যাতে কোনোভাবেই ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশে এর আগে এ ধরনের সংসদীয় ককাস গঠিত হয়নি উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘এই কমিটিকে একটি কার্যকর কমিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’ এ লক্ষ্যে আইন, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ককাসটিকে একটি শক্তিশালী পরিকাঠামো হিসেবে দাঁড় করাতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে নির্বাহী বিভাগকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে এই ককাসের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার।

ককাসের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন ককাসের সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ।

সূত্র: প্রথম আলো