|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
১৭৯ পঠিত
সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা‌টি খুঁড়ে পাওয়া জং ধরা দুটি বাক্সে ১২টি র‌কেট লঞ্চারসদৃশ বস্তু ও তিনটি গোলাকার হাতবোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার কচুয়া থলচালা এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার কৃষক মো. আশ্রব আলী তার...

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা‌টি খুঁড়ে পাওয়া জং ধরা দুটি বাক্সে ১২টি র‌কেট লঞ্চারসদৃশ বস্তু ও তিনটি গোলাকার হাতবোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার কচুয়া থলচালা এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে এসব বস্তু উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার কৃষক মো. আশ্রব আলী তার ছেলে শাকিলকে নিয়ে জমিতে মাটি কাটছিলেন। এ সময় তারা সেখানে লোহার তৈরি দুটি বাক্স দেখতে পান। পরে বাক্সটি মাটি থেকে তুলে জমির আইলে রেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুগুলো উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা র‌কেট লঞ্চারসদৃশ বস্তুগুলো অনেক পুরোনো। দুটি বাক্সে ছয়টি করে মোট ১২টি র‌কেট লঞ্চারসদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। এছাড়া গোলাকার হাতবোমাসদৃশ আরও তিনটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বাক্স দুটির গায়ে ইং‌রে‌জি অক্ষ‌রে ‘East Pakistan Police Tangail’ লেখা একটি নেমপ্লেট রয়েছে।

জ‌মির মা‌লিক কৃষক আশ্রব আলী ব‌লেন, তার ছেলেকে নিয়ে জমিতে মাটি কাটার সময় মাটির নিচে লোহার তৈরি দুটি বাক্স দেখতে পাই। পরে বাক্সটি মাটি থেকে তুলে জমির আইলে রেখে পুলিশকে খবর দেই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোবাইলে খবর শুনে এসে দেখি অনেক লোকজন। এগুলো দেখে মনে হচ্ছে বহু পুর‌নো কো‌নো নিদর্শন। ধারণা করছি, ১৯৭১ সা‌লে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় বা তার আগের সময়কার পূর্ব পা‌কিস্তান পু‌লিশের কো‌নো ব‌্যবহৃত সরঞ্জাম।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ হোসেন বলেন, পুরাতন জং ধরা ১২টি গুলিসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স