|
| |
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মাছ শিকারে প্রস্তুত দশমিনার জেলেরা

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:১২ পিএম
২২৪ পঠিত
মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মাছ শিকারে প্রস্তুত দশমিনার জেলেরা
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিন সব ধরনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ। উপকূলীয় তেতুলীয় ও বুড়াগৌরাঙ্গ জেলেরা মধ্যরাত থেকেই মাছ শিকারের প্রস্তুতি নেবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ) মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে সরকার নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। এর আগে গত ৮ অক্টোবর থেকে আজ ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ছয়টি স্থানকে ই...

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিন সব ধরনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ। উপকূলীয় তেতুলীয় ও বুড়াগৌরাঙ্গ জেলেরা মধ্যরাত থেকেই মাছ শিকারের প্রস্তুতি নেবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ) মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে সরকার নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। এর আগে গত ৮ অক্টোবর থেকে আজ ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ছয়টি স্থানকে ইলিশের অভয়াশ্রম কেন্দ্র ঘোষণা করে সরকার। এ সময় নদীতে যেকোনো ধরনের মাছ আহরণ,পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়।

এদিকে দশমিনার জেলে পল্লীগুলো দীর্ঘ ২২ দিন অলস সময় কাটানোর পর জেলে পাড়ায় আনন্দের ঝলক দেখা যাচ্ছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার শেষ দিনে এখন পর্যন্ত তেতুলিয়া বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালিয়ে ৬৫ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। এদের কাউকে নিয়মিত, কাউকে মোবাইল কোর্টে সাজা ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৩৫ জেলের নৌকা আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ৯ লক্ষ ৪৫ হাজার ১ শত মিটার কারেন্ট জাল নদীর তীরবর্তী এলাকায় পুড়িয়ে বিনষ্ট ও ৪ শত ৫২ মেট্রিক টন মা ইলিশ জব্দ করে এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে। তাই মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচি সফল হওয়ায় এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির দাবি কর্তৃপক্ষের।

সদর ইউনিয়নের গুলখালী গ্রামের জেলে কুদ্দুস মিয়া বলেন, ২২ দিন মাছ ধরতে পারিনি। এ সময় আমাদের আয়ও বন্ধ ছিল। এতদিন মুদির দোকানে বাজার সদায় পাতি  বাকি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ধার-দেনা করে সংসার চালিয়েছি। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার পর নদীতে গিয়ে আশা করছি ইলিশসহ সব ধরনের বড় বড় মাছ পাবো। মাছ বিক্রি করে ধার-দেনা পরিশোধ করবো এবং আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর আশা আছে।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হয়েছে। এ কর্মসূচির ফলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশাবাদী। জেলেদের মৎস্য আইন মেনে মাছ আহরণের আহ্বান জানাচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে মা ইলিশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির সফলতা ধরে রাখতে জেলেদের আইন মেনে মাছ ধরতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জেলেরা উপকৃত হবেন বলে আশা করছি।

সূত্র: কালবেলা