|
| |
শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি পোস্ট করায় বন্ধুকে খুন, প্রবাসী বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় কুয়েতি আদালতের

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
২৩৪ পঠিত
ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি পোস্ট করায় বন্ধুকে খুন, প্রবাসী বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় কুয়েতি আদালতের
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
কুয়েতের প্রসিকিউটররা জানান, ভুক্তভোগী বন্ধু ওই প্রবাসী বাংলাদেশির স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। বারবার বলা সত্ত্বেও তা মুছে ফেলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর তা সরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এক বন্ধুকে হত্যা করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি। এ ঘটনায় কুয়েতের ফৌজদারি আদালত ওই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি নিয়ে বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বন্ধুকে খুন করেন ওই প্রবাসী। ওই ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে গত মঙ্গলবার ফৌজদারি আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

কুয়েতের প্রসিকিউটররা জানান, ভুক্তভোগী বন্ধু ওই প্রবাসী বাংলাদেশির স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। বারবার বলা সত্ত্বেও তা মুছে ফেলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এরপরই আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে ওই বন্ধুকে এই হত্যা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কর্মস্থলের ভেতরে আছেন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবাসী ব্যক্তি একটি ছুরি নিয়ে বাইরে ওত পেতে থাকেন।

ভুক্তভোগী ব্যক্তি বাইরে আসামাত্রই আসামি তাঁর ওপর হামলা চালান। তাঁর মাথা ও শরীরে বারবার ছুরিকাঘাত করেন। এই আঘাতের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আদালতের বিচার চলাকালে মামলার আসামি প্রবাসী ওই ব্যক্তি তাঁর অপরাধ স্বীকার করে জানান, বিরোধ তৈরি হওয়ার আগে ভুক্তভোগী ব্যক্তি এবং তিনি পরস্পরের বন্ধু ছিলেন।

আসামি আদালতকে জানান, আগের এক সফরের সময় ওই বন্ধু না জানিয়ে তাঁর স্ত্রীর ছবি তোলেন। পরবর্তী সময় তিনি তাঁদের কাউকে না জানিয়ে ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন।

আসামি জানান, তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য আসার পর তিনি বন্ধুকে ছবিগুলো সরিয়ে নিতে বলেছিলেন। তবে ওই বন্ধু সেগুলো সরাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি উল্টো আরও ছবি পোস্ট করতে থাকেন। তাঁর এমন কর্মকাণ্ড আসামি ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে মানসিক চাপ ও উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।

আদালতে আসামি জানান, এই বিরোধের কারণেই তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপরই তাঁর ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।

আদালত ওই প্রবাসী বাংলাদেশিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

সূত্র: প্রথম আলো