|
| |
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

করোনার পর থেকেই কমছে এইচএসসি পাসের হার

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
১৮৩ পঠিত
করোনার পর থেকেই কমছে এইচএসসি পাসের হার
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
করোনা ভাইরাস মহামারির পর থেকে দেশের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার পাসের হারে ধারাবাহিক নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২০ সালে পরীক্ষা ছাড়াই শতভাগ শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে কমেছে পাসের হার। সর্বশেষ ২০২৬ সালে তা নেমে এসেছে গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যা...

করোনা ভাইরাস মহামারির পর থেকে দেশের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার পাসের হারে ধারাবাহিক নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২০ সালে পরীক্ষা ছাড়াই শতভাগ শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে কমেছে পাসের হার। সর্বশেষ ২০২৬ সালে তা নেমে এসেছে গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের ফলাফলে ১১ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ। 

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৩.৯৩ শতাংশ। করোনার কারণে ২০২০ সালে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি; আগের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সবাইকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। ফলে পাসের হার দাঁড়ায় ১০০ শতাংশে। 

২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে পাসের হার ছিল ৯৫.২৬ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে ৮৫.৯৫ শতাংশে নেমে আসে। ২০২৩ সালে পূর্ণ নম্বর ও সময়ে পরীক্ষা নেওয়ার পর পাসের হার হয় ৭৮.৬৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা আরও কমে দাঁড়ায় ৭৭.৭৮ শতাংশ। আর ২০২৫ সালে এক লাফে কমে ৫৮.৮৩ শতাংশে পৌঁছায়।

এই ফল বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। করোনাকালে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইননির্ভর পাঠদানে অনেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে। বিশেষ করে নবম ও দশম শ্রেণিতে সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠ নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় পরবর্তী সময়ে এর প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। এছাড়া সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ও সীমিত বিষয়ে পরীক্ষার পর পূর্ণ সিলেবাসে ফিরে আসাও শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

এদিকে ২০২৪ সালে আন্দোলনের কারণে কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করে এসএসসির ফলের ভিত্তিতে নম্বর নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মূল্যায়নে প্রকৃত ফল প্রতিফলিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সর্বশেষ পরীক্ষায় ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ কয়েকটি বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। গ্রাম ও শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষাসুবিধার বৈষম্যও ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স