|
| |
রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বত্ব © ২০২৬ গণমাধ্যম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সর্বশেষঃ

ইরানের স্থলপথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত করতে নতুন যুক্তরাষ্ট্রের টাস্কফোর্স

গণমাধ্যম ডেক্স

গণমাধ্যম ডেক্স

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম
৩৭১ পঠিত
ইরানের স্থলপথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত করতে নতুন যুক্তরাষ্ট্রের টাস্কফোর্স
যুক্ত থাকুন
সর্বশেষ খবরের জন্য ফলো করুন:
ইরানের ওপর নৌ অবরোধের পর এবার দেশটির স্থলপথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত করতে নতুন টাস্কফোর্স গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ ঘোষণা দিয়েছে। নিষিদ্ধ সামরিক প্রযুক্তি ও অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধ করাই এ বাহিনীর লক্ষ্য। খবর সিবিএস নিউজের। সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমি...

ইরানের ওপর নৌ অবরোধের পর এবার দেশটির স্থলপথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত করতে নতুন টাস্কফোর্স গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ ঘোষণা দিয়েছে। নিষিদ্ধ সামরিক প্রযুক্তি ও অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধ করাই এ বাহিনীর লক্ষ্য। খবর সিবিএস নিউজের।

সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আয়রন গেট টাস্কফোর্স গঠন ইরানের বিরুদ্ধে সমুদ্রে আমাদের কঠোর অবরোধের সাফল্যকে আরও জোরদার করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সেন্টকমের সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্গঠন এবং সামরিক সরঞ্জামের মজুত পুনরায় পূরণের ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও সীমিত করা যাবে।’

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ফ্লোরিডাভিত্তিক এ টাস্কফোর্সে প্রায় ২০ জন বেসামরিক ও সামরিক সদস্য থাকবেন। ইরানের স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা, দ্বৈত ব্যবহারের প্রযুক্তি, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত সামগ্রী এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে কাজ করবে তারা।

তবে কীভাবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি সেন্টকম। এ কাজে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হবে কি না, সে বিষয়েও ঘোষণায় কিছু বলা হয়নি।

ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। নৌ অবরোধের কারণে ইরানের বন্দরগুলো ব্যবহার করতে না পেরে দেশটির সঙ্গে স্থলপথে বাণিজ্য বাড়িয়েছে বেইজিং। বিশেষ করে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য দিয়ে রেলপথে পণ্য পরিবহন করছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের অবরোধের কারণে ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি আটকে গেছে। এর বড় অংশই এশিয়ার বাজারে যাওয়ার কথা ছিল।

চীনের পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও স্থলপথ ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে ব্যাপক বাণিজ্য করে ইরান। স্থলবেষ্টিত কাস্পিয়ান সাগর রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও ইরানের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করেছে। ইরানের রাজধানী তেহরান কাস্পিয়ান সাগরের মাত্র ৮০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত।

মার্কিন হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ও আরব সাগরে মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে। তা সত্ত্বেও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইরান এখনো বড় হুমকি হিসেবে রয়েছে। দেশটির শাসকরাও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করেছেন।

রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক এবং ভারী ট্রাক আমদানির জন্য গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে।

রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে কাস্পিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজে, মধ্য এশিয়া থেকে ট্রাকে এবং চীন থেকে কার্গো উড়োজাহাজে এসব সরঞ্জাম ইরানে প্রবেশ করেছে।

সূত্র : সিবিএস নিউজ

সূত্র: নতুন আরএসএস সোর্স